পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা বাংলাদেশের ৬ টি স্থান

0
18

বাংলাদেশের এমন বেশ কয়েকটি স্থান রয়েছে যেস্থানগুলো অনেক পর্যটকদের কাছে পছন্দের জায়গা। জেনে নিন পছন্দের তালিকায় বেশি স্থান পাওয়া জায়গা গুলোর নাম।

বান্দরবান: পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পার্বত্য-জেলা বান্দরবান। এখানকার বিভিন্ন স্থানের কথা উল্লেখ করেছেন অনেকে। মিতুল আর হোসাইন নামে একজন লিখেছেন বান্দরবানের নীলগিরি তার প্রিয় একটি স্থান।

পাহাড়, নদী, ঝর্ণা এবং সবুজ এসব কিছু মিলিয়ে অনেকের প্রিয় পার্বত্য এই জেলা। পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ রয়েছে এখানে অবস্থিত নাফাখুম ঝর্না। জেলার থানচি উপজেলায় অবস্থিত।

এটাকে বাংলাদেশের অন্যতম জলপ্রপাত হিসেবে ধরা হয়। নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে একটি। সেখান সমুদ্রপৃষ্ঠ থে প্রায় দুই হাজার ফুট উঁচুতে উঠলে আপনি মেঘের দেশে চলে যাবেন। আরো রয়েছে বগালেক, স্বর্ণ-মন্দির এছাড়া রয়েছে কেওক্রাডং পর্ব যেটা রুমা উপজেলায় অবস্থিত।

কক্সবাজার: বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, অনেকের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। এখানে শুধু দেশি পর্যটকরা যান না, বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা চোখে পড়ে। ১১১কি.মি. সমুদ্র সৈকত অনেকের পছন্দ।

এছাড়া এখানকার বিভিন্ন দ্বীপ যেমন মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহপরি, সেন্টমার্টিন দ্বীপ ( স্থানীয় অনেকের কাছে নারিকেল জিঞ্জিরা), মাতাবাড়ি, বন,বৌদ্ধমন্দির রয়েছে।

সিলেট: সিলেটের কয়েকটি স্থান রয়েছে পছন্দের তালিকায়। সিলেটের জাফলং, বিছানাকান্দি, রাতারগুল এসব স্থানের কথা উল্লেখ করেছেন অনেকেই। সাথে রয়েছে চা বাগানের ওপর বাড়তি আকর্ষণ। উত্তর-পূর্বের জেলা অনেকগুলো স্থান রয়েছে দেখার মত।

সেন্টমার্টিন: যারা শুধু সমুদ্রের নীল পানি আর নিরিবিলি সময় কাটাতে চান তাদের কাছে পছন্দের জায়গা সেন্টমার্টিন। কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার সর্ব-দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের মাঝে এই দ্বীপের অবস্থান।

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এটি। স্থানীয়ভাবে নারকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত, অনেকে দারুচিনি দ্বীপ নামেও এক সময় পরিচিত ছিল স্থানটি।

চারিদিকে পানি আর মাঝখানে আট বর্গ কিলোমিটারের এই ছোট দ্বীপটি একদিনেই পায়ে হেঁটে ঘুরে আসা যায়।

খাগড়াছড়ি: বাংলাদেশের পার্বত্য আরেকটি জেলা খাগড়াছড়ি। এই স্থানটি রয়েছে পর্যটকদের পছন্দের তালিকায়। নদী, পাহাড়, রাবার বাগান, আলুটিলা সুড়ঙ্গ, রিছাং ঝর্ণা দেখতে অনেকেই যান এখানে।

:বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম। এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য। প্রায় ৩০ প্রজাতির সাপ সুন্দরবনে পাওয়া যায়। জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।

সুন্দরবনের ইতিহাস:প্রাচীনকাল থেকেই সুন্দরবনের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়। ঐতিহাসিকগণ মনে করেন প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে গাঙ্গেয় বদ্বীপ এলাকায় সুন্দরবনের সৃষ্টি হয়।‘নিকোলাস পাইমেন্টা’ নামীয় একজন মিশনারীর ভ্রমণ কাহিনীতেও সুন্দরবনের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এছাড়া দিনাজপুরের রামসাগর, বরিশালের লাল শাপলার বিল, কুমিল্লা কোটবাড়ি, মহাস্থানগড়, বগুড়া, রাঙ্গামাটি. কথা উল্লেখ করেছেন কেউ কেউ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here